দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি নিয়ে অবস্থান করছে ১৩টি জাহাজ। এর মধ্যে খালাস চলছে ৫টিতে। আগামী দুই দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে আরো দুটি জাহাজ। এসব জাহাজের রুট ও গভীর সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। একই সঙ্গে তেল মজুত ও সীমান্তে পাচার রোধে চালানো হচ্ছে অভিযানও।
সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
দেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানি নিয়ে অবস্থান করছে ১৩টি জাহাজ। এর মধ্যে খালাস চলছে ৫টিতে। আগামী দুই দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে আরো দুটি জাহাজ। এসব জাহাজের রুট ও গভীর সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। একই সঙ্গে তেল মজুত ও সীমান্তে পাচার রোধে চালানো হচ্ছে অভিযানও।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় জ্বালানি সরবরাহে বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। জ্বালানি নিয়ে নানামুখী আলোচনা, রেশনিং, সরবরাহ ঘাটতির ভেতরেই নানা বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে৷ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আসছে সমুদ্র পথে।
আরও পড়ুন:নিজেকে নিরপেক্ষ রাখতে দলীয় পদ ছাড়লেন স্পিকার হাফিজ
বানৌজা শহীদ দৌলতের অধিনায়ক লে. কমান্ডার মীর কামরুল হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায়, দেশের সমুদ্রসীমায় অবস্থানরত জ্বালানিবাহী জাহাজের চলাচল ও নিরাপত্তা জোরদার করেছে নৌবাহিনী।
মীর কামরুল হাসান বলেন, জাহাজ চলাচলের রুটে মোতায়েন রয়েছে যুদ্ধ জাহাজও। নাশকতার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য না থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তেল চুরি ও পাচার ঠেকাতে উপকূলীয় এলাকাতেও নৌবাহিনীর পাশাপাশি সমন্বিত নজরদারি চালাচ্ছে কোস্ট গার্ড বলেও জানান তিনি।